খুলনা বিভাগের প্রথম ইনিংসে করা ৪৪৪ রানের জবাবে বরিশাল আগের দিন গুটিয়ে যায় ২৫৮ রানে। পড়ে ফলোঅনের লজ্জাতে। তবে তাদের ব্যাট করতে না পাঠিয়ে ১৮৬ রানে এগিয়ে থাকা খুলনা ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ২১৬ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। ফলে বরিশালের সামনে তৃতীয় দিনের শেষ বিকালে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০৪ রানের। আর ১২ ওভার খেলে ৩২ রান সংগ্রহ করে কোনো উইকেট না হারিয়ে। আজ চতুর্থ ও শেষ দিনে তাদের ৩৭১ রান করতে হবে। তবে প্রথম শ্রেণির ম্যাচের চতুর্থ দিন ব্যাট করা খুব সহজ হবে না খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে। জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ও দেশের সেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া অভিজ্ঞ স্পিনার দলের অধিনায়ক আবদুর রাজ্জাকরা চেপে ধরলে বরিশালের জন্য দিনটি কঠিন চ্যালেঞ্জেই কাটবে।
আগের দিন ১৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল বরিশাল বিভাগ। সামনে ছিল ফলোঅন এড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। রাফসান আল মাহামুদ ৫৮ ও নুরুজ্জামান ৫২ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেন। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না করেই সাজঘরের পথ ধরেন রাফসান। তবে নুরুজ্জামান টিকে থেকে প্রথমবারের মতো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সেঞ্চুরির স্বাদ নেন। তবুও ২৫৮ রানে গুটিয়ে যায় বরিশাল। আগের দিনের ৫২ রানের সঙ্গে আজ ৪৯ রান যোগ করেন নুরুজ্জামান। ১৭৫ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ১০১ রানের ইনিংসটি সাজান ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। ৩৬ রানের জন্য ফলোঅন এড়াতে না পারলেও তাদের ফিল্ডিংয়ে পাঠায় খুলনা। খুলনার হয়ে ৪টি করে উইকেট নেন আল-আমিন হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাক। ১টি করে উইকেট পান মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মেহেদী হাসান। অন্যদিকে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ২১৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে খুলনা বিভাগ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ করে রান করেন উইকেট কিপার ব্যাটসম্যন কাজী নুরুল হাসান সোহান ও তুষার ইমরান। মেহেদী হাসান ২৮ ও রবিউল ইসলাম রবি ২৪ রান করেন। মাশরাফি ও জিয়াউর রহমানের ব্যাট থেকে আসে ১৬ করে রান। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন সোহাগ গাজী। কামরুল ইসলাম রাব্বী ও মনির হোসেন ২টি করে উইকেট নেন।